Welcome to Zainul and Kobir dairy farm
ব্রিড তৈরি
বিশ্বে ব্রিড তৈরি করা হয়ছে পিওর রেখে উন্নতি করতে, নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ক্রস ব্রিডিং করে না। যেমন আমরা চাইলেও হলস্তিন কে পিওর রেখে বাংলাদেশে লাভজনকভাবে পালন করতে পারব না। সুতরাং আমরা বিগত ১০০ বছরের অভিজ্ঞতা আমলে নিয়ে ৫০%-৭৫% এর মধ্য হলস্তিন ফিক্স করতে চাই যাতে এটি দিনে দিনে একটি ব্রিড এ পরিণত হতে পারে। যেমনটি অনেক দেশ করেছে যেমন ৬২.৫% হলস্তিন কে ব্রাজিল গিরলান্ডো নাম দিয়েছে। আমারা যদি ৫০-৭৫% হলস্তিন কে নাম দেই বাংলা ফ্রিসিয়ান এবং এটার উন্নতি করতে চেষ্টা করে তবে আমরা একটি দুধের ব্রিড পেতে পারি। এখন এই ৫০-৭৫% কে যদি ইসছে মত ভেজাল দেই তাহলে সেটা কোন দিন ব্রিড হতে পারবে না। একটি লাইন/ব্রিড এর মধ্যে হতে সেরার সাথে সেরার প্রজনন করাই জাত উন্নয়নের উপায়, কিন্তু রেকর্ড ছাড়া আপনি জানবেন না কোনটা সেরা? সুতরাং রেকর্ড রাখুন, আর উন্নতি করুন আমরা যদি সংকর জাতের গাভিকে সংকর জাতের বুল দিয়ে মিনিমাম ৫ প্রজন্ম প্রজনন করাই তবে স্থিতিশীল একটি জাত পাওয়া সম্ভব। Adapt করা মানে কিছু গুন অর্জন করা এবং কিছু গুন বিসর্জন দেয়ার মাধ্যমে বেচে থাকা। অনেক বলে থাকে ১০০% ফ্রিজিয়ান আমাদের Weather এ কয়েক জেনারেশন পর Adapt করে নিবে, আমিও বলি Adapt করে নিবে কিন্তু সেই Adapt করা ১০০% ফ্রিজিয়ান আর ১০০% ফ্রিজিয়ান থাকবে না সেটি শ্বেতহস্তী তে পরিনত হবে, না থাকবে তার উৎপাদনশীলতা না থাকবে তার অন্য গুন সেটা হয়ে যাবে আমাদের দেশি গরুর মত। সুতরাং Adapt করা মানেই লাভজনক Adaptation না। যতদিনে Adapt করবে ততদিনে আমারা আমদের দেশি গরুকে ফ্রিজিয়ান সমতুল্য Breed বানাইতে পারব ইনশাআল্লাহ। একটি বুল সম্পর্কে বলার জন্য Pedigree, Performance, Progeny and Genomic Data থাকলে অনুমানের নির্ভরতা বেড়ে যায়, তার মানে এই না গেনমিক যুগে প্রবেশ করলে আর কিছু লাগে না। Genomic Data পুরাতন মালার নতুন পুতি মাত্র।
Continue reading
এটা মেন্ডেল এর একটা সুত্র
মনে করেন Purple ফুল দিয়ে White ফুলকে ক্রস করে যত বাচ্চা হয়েছে সব Purple হবে। এখন যদি কেউ বলে দেখেন আমি purple ফুল দিয়ে white ফুলকে ক্রস করে সব purple বানাইয়া দিব। তাহলে উনি এখন পর্যন্ত সঠিক। কিন্তু তাকে যদি বলা হয় এখন এই purple বাচ্চাগুলা ক্রস করে আবার সবগুলা purple বানাইয়া দিতে তবে তাহলে উনি আর সেটা পারবেন না। সেক্ষেত্রে ৭৫% ক্ষেত্রে purple এবং ২৫% ক্ষেত্রে আবার white বাচ্ছা চলে আসবে। এখন কেউ যদি আপনাকে বোকা বানাতে চায় বা না জানে কিভাবে বংশগতির বৈশিস্ট প্রকাশ তাহলে আপনাকে শুধু গল্পের অর্ধেক্টা বলবে। একইভাবে গরুতে প্রায় ২২০০০ জিন রয়েছে, এইসব জিন একসাথে কাজ করবে তখন বিসয়টা অনেক অনেক জটিল হয়ে যায় এবং শুধুমাত্র একটা জেনারেশন দেখে আপনি কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সুতরাং যারা রাতারাতি বড় হউয়ার স্বপ্ন দেখায়, হাজার হাজার ব্রিডের ক্রস করে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখায় তারা আসলে গভীরভাবে না যেনে কথগুলা বলে অথবা আপানাকে ঠকাতে চায়।
Continue reading
বংশগতি
বংশগতি হলো বাবা-মা হতে, অযৌন অথবা যৌন প্রজননের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিতে জিনগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া। বংশগতির মাধ্যমে, ব্যক্তির মাঝে বৈচিত্র্য সঞ্চারিত হতে পারে এবং প্রাকৃতিক নির্বাচন দ্বারা প্রজাতির বিবর্তন ঘটতে পারে। জীববিজ্ঞানে বংশগতির অধ্যয়নকে বংশাণুবিজ্ঞান বলা হয়। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল কে বংশগতির জনক বলা হয়ে থাকে।
জিন জীবের সকল বৈশিস্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। জিনগুলো ক্রোমোজোম এর উপর অবস্থিত এবং সাধারণত ডি এন এ দিয়ে তৈরি। মানুষের জিনমে প্রোটিন তৈরি করে এমন জিনের সংখ্যা ১৯০০০। এছাড়া রয়েছে নন কোডিং জিন যা প্রোটিন তৈরি করে না কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে যুক্ত। সাধারণত একটি বৈশিষ্টের সাথে এক বা ততোধিক জিন যুক্ত থাকতে পারে। মাল্টি সাব ইউনিট প্রোটিন কমপ্লেক্স এর সাথে একাধিক জিন যুক্ত থাকে। ১৯০৯ সালে ডব্লিউ. জোহান্সন সর্বপ্রথম 'জিন' শব্দটি ব্যবহার করেন। বিভিন্ন জীবে জিনের সংখ্যা বিভিন্ন। তবে একই প্রকৃতির জীবে তা সাধারণত একই থাকে। মাতাপিতা থেকে প্রথম জেনারেশনে (F1) যে বৈশিষ্ট প্রকাশ পায় তাকে প্রকট (Dominant) বৈশিষ্ট এবং এই বৈশিষ্ট প্রকাশে দায়ী জিনকে প্রকট জিন বলে। তবে ২য় জেনারেশনে (F2) এক চতুর্থাংশ জীবে প্রচ্ছন্ন (Recessive) বৈশিষ্ট প্রকাশ পায়। প্রায় ৫০০০ মটরশুঁটি গাছের উপর পরিক্ষা করেন। তিনি বিভিন্ন জেনারেশনের গাছের মধ্যে ক্রস করিয়ে ফলাফল পর্যবেক্ষণ করেন মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রবর্তন করেন। প্রথম সূত্রটিসংকর জনন থেকে প্রাপ্ত এবং দ্বিতীয় সূত্রটি দ্বিসংকর জনন থেকে প্রাপ্ত ।
Continue reading